বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয়করণ নিয়ে করা রিট খারিজ

দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয়করণের বিরুদ্ধে বাঁশখালী মডেল হাই স্কুলের করা রিট পিটিশন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত ৩০.০৫.২০১৮ খ্রি: তারিখ সকালে হাইকোর্টের বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের বেঞ্চে পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষে রিট আবেদনটি খারিজ করে দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্রে প্রকাশ, গত ২১.০৭.২০১৬ খ্রি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে ২২টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের সম্মতি দেন। এর মধ্যে বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ও একটি। ঘোষণার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ৩০ আগস্ট ২০১৭ খ্রি: তারিখে বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয়করণের জিও এবং বিগত ১৪/০৯/২০১৭ খ্রি: তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশ করে। পরবর্তীতে বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের বিরুদ্ধে এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ও মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পরিপত্রকে অবৈধ এবং তা বাতিল চেয়ে গত ২৫/০৫/২০১৭ খ্রি: তারিখে বাঁশখালী মডেল হাই স্কুলের শিক্ষিকা মাহবুবা খানম ও সহকারী শিক্ষক দীপন চক্রবর্তী বাদী হয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। শুনানি শেষে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ ব্যাঞ্চ গত অক্টোবরে রুলনিশি জারি করেন। এ রুলে বিবাদীদের ৪ সপ্তাহের মধ্যে জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়।

বিগত ০৭০৫২০১৮ খ্রি: থেকে ২৯/০৫/২০১৮ খ্রি: পর্যন্ত বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের বেঞ্চে উক্ত রিট পিটিশন মামলাটি চূড়ান্ত শুনানি শেষে গতকাল ৩০ মে মামলাটি খারিজ করে দেন। মামলার বিবাদী বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোতোষ দাশ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতদাঞ্চলে নারী শিক্ষার প্রসারের কথা চিন্তা করে বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। অথচ এমপিওভুক্ত শিক্ষক হয়েও প্রধানমন্ত্রীর এরকম একটি জনসম্পৃক্ত সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে মামলা রুজু করা চরম ধৃষ্টতা ছাড়া আর কিছু নয়। আমি মনে করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সরকারিকরণে হাইকোর্টের রিট পিটিশন খারিজ করায় বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।